সেলিব্রিটি বার্তা

এর চেয়ে বেশি আমি কী’ পেতে পারি- বাণীতে “পূর্ণিমা”

রূপ যেনো দিন দিন বেড়েই চলেছে ,৯০ ই দশক থেকে শুরু করে নতুন প্রজন্ম যেনো তার রূপে গুনে মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকে, বয়স যেনো তার রূপের কাছে একটি সংখ্যা মাত্র,তার রূপের রহস্য যেনো চাঁদের সুন্দর্যকে হার মানায়। যার রূপের এত মহিমা তিনি হলেন, বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয়ও চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। চলচ্চিত্র, নাটক, বিজ্ঞাপন বা উপস্থাপনায় তুমুল জনপ্রিয় তিনি। নিজের প্রতিভা দিয়ে চিরতরে আসন গড়েছেন দর্শকের হৃদয়ে বছরে পর বছর।

tarokaloy_actress_purnima

১৯৮১ সালে ১১ জুলাই চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বাঙালি নায়িকা। তার এই বিশেষ দিনে অসংখ্য অনুরাগীর শুভেচ্ছায় পুলকিত হয়েছেন সুন্দরী এই তারকা। ছোটবেলায় পূর্ণিমার জন্মদিন পালন ছিল বর্ণাঢ্য। বড় হওয়ার পরও তিনি তার দিন একই উপভোগ করেন। তবে করোনা কালীন এই সময়ে যখন মানুষের জীবন বিমর্ষ, এমন সময় সবার কাছ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত শুভেচ্ছা অনেক বড় পাওয়া বলে মনে করেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা।

tarokaloy_actress_purnima

পূর্ণিমা তার জন্মদিন কিভাবে শুরু করলেন সে উদ্দেশে বলেন, ‘গত রাতে নিজের পরিবারের সাথে কেক কেটেছি। তখন থেকেই ফোনে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই ভালো ভালো শুভ কামনা করছে। ভোর থেকে কাছের মানুষগুলো ফোন দিয়ে কথা বলছে, শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। অনেকেই নিজের ফেসবুকে আমার ছবি দিয়ে উইশ করছে। আমি বিষয়গুলো অনেক বেশি উপভোগ করছি। এগুলো আমার জন্মদিনের অনেক বড় উপহার। কারণ মানুষ যখন নিজের জীবন নিয়ে ভীত, এমন সময় মন খুলে আমাকে উইশ করছে, আমার জন্য দোয়া করছে, এর চেয়ে বেশি আমি কী’ পেতে পারি। সবাই আমা’র জন্য, আমার পরিবারের জন্য, আমাদের সবার জন্য দোয়া করবেন।’

tarokaloy_actress_purnima

 

শৈশব ও বর্তমানে জন্মদিন উদযাপন প্রসঙ্গে পূর্ণিমা বলেন, ‘ছোটবেলার জন্ম’দিনগুলো অনেক বেশি বর্ণাঢ্য ছিল। নতুন পোশাক পরে ঘুরে বেড়ানো, বন্ধুদের নিয়ে কেক কা’টা—সব কিছুর মধ্যে অদ্ভুত একটা আনন্দের অনুভূতি ছিল। তবে বড় হওয়ার পরও জন্মদিনগুলো আমি বেশ উপভোগ করেছি। অল্প বয়সে যেহেতু আমি মিডিয়াতে যাত্রা করেছি, সেই হিসেবে সবাই আমাকে চেনে এবং বিশেষ দিনগুলোতে সবাই উইশ করে, এ বিষয়টি আমি সব সময়ই অনেক বেশি উপভোগ করি।’

tarokaloy_actress_purnima

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে কেটেছে পূর্ণিমা’র শৈশব। একটু বড় হতেই চলে আসেন ঢাকায়। ঘটনাক্রমে নাম লেখান সিনেমায় পাতায়। প্রায় দুই যুগের অভিনয় ক্যারিয়ারে একশ এর বেশি দর্শকনন্দিত ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। পাশাপাশি ছোট পর্দা, অর্থাৎ টেলিভিশনেও চমৎকার কিছু কাজ করেছেন । তিনি ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করেন জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে । ছবিতে নায়ক হিসেবে পেয়েছেন সেই সময়ের সুদর্শন যুবক রিয়াজকে। প্রথম ছবি দিয়েই আলোচিত হয়েছিলেন তিনি। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তার চলচ্চিত্র জীবনে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ চলচ্চিত্রটির জন্য পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন।

tarokaloy_Purnima_and_Riaz

 

বর্তমানে তিনি তার পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছেন এবং পরিস্থিতির যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সুস্থ্য হওয়ার কামনা করছেন।

 

Tarokolay ১১/০৭/২০২০রিয়া

Previous ArticleNext Article