Uncategorized, সেলিব্রিটি বার্তা

২৭ বছর সংসারের ইতি টানলেন বিল গেটস

একই সঙ্গে জীবনের গতি পথের বিয়ের সাতাশ বছর পর বিল গেটস ও তার স্ত্রী। কিন্তু হঠাৎ করেই যেনো এই ২৭ বছর তিক্ততায় পরিণত হয়েছে…কিন্তু আসলেই কি হঠাৎ করেই এই তিক্ততা তৈরি? নাকি এটার প্রবণতা শুরুর থেকেই একটু একটু করে গড়েছ!! অবশেষে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে গত দুইদিন থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যমনি হয়েছেন বিল ও মেলিন্ডা গেটস। সম্পর্কটি নিয়ে অনেক চিন্তা চেতনা এবং কাজের পর তারা তাদের বিয়ের সমাপ্তি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তারা।

এদিকে, তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে চলছে নানা ধরনের কথা। শুনেই থমকে গেছে গোটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। অনেকই এখন বলছেন, শুধু টাকা দিয়ে সুখ পাওয়া যায় না। আবার কেউ বলছেন, বিংশ শতাব্দীর বুকে অন্যতম সুন্দর একটি জুটির বিবাহ বিচ্ছেদ যেন ঝড়ের মতো। এমনটাও হবে কাম্য ছিল না…

অন্যদিকে বিল গেটসের বিচ্ছেদ নিয়ে কিছুটা ইতিবাচক সাড়া দিলেন বাংলাদেশি একজন অভিনেত্রী,যিনি কথা বার্তায় কখনো ফিল্টার রাখেন না তাদের ভক্তদের সাথে শেয়ার করতে। আর তিনি হলেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া।ফেসবুকে একটি পোস্ট করে বিল গেটস এর বিচ্ছেদের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়াও। তিনি লিখেছেন, বিল গেটস আর আমি অন্তত একদিক দিয়ে সেইম লেভেলে আছি এইটা ভেবে আজকে ঘুমটা ভালো হবে! গুড মর্নিং এভরিওয়ান`। তার বৈবাহিক জীবনের বিচ্ছেদের সাথে মূলত তূলনা করেছেন এই অভিনেত্রী।

এই দিকে মেলিন্ডা জানায়,বিয়ের আগেও অন্য মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসের সঙ্গে সাক্ষাত ও বিয়ের পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে মাইক্রোসফটের আরেক নির্বাহী স্টেফানি রিচেলের সঙ্গে তার ৭ মাসের প্রেমের ছিল বলে জানিয়েছেন বিল গেটসের সাবেক স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস।

শুধু তাই নয় তিনি আরো জানান যে,ওই মেয়ে সাথে সম্পর্ক চলাকালিন তাকে প্রচুর রোমান্টিক ইমেইল পাঠিয়েছেন বিল গেটস। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে লং উইকএন্ড বলে পরিচিত একটি স্থানে ছুটিতে তাকে নিয়ে ছুটে গিয়েছেন লন্ডনে কোয়ালিটি সময় পার করার জন্য।
সেখানে হোটেলে অবস্থান করেছেন দু’জনে। ঘুরে বেরিয়েছেন সমুদ্র সৈকতে। কখনোবা তারা ছুটে গেছেন নিষিদ্ধ পল্লীতে। ১৯৮৭ সাল নাগাদ অ্যান উইনব্লাড নামে এক পুঁজিবাদী নারীর সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল বিল গেটসের।

এরই মধ্যে অনেক বিষয়ে দু’জনেই ইঙ্গিত দেয়ার চেষ্টা করেছেন। মেলিন্ডা বলেছেন, দিনের মধ্যে ১৬ ঘন্টা কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বিল গেটস। পরিবারের দিকে তার মন নেই। অনেকবার এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়েছে।

অপরদিকে মেলিন্ডা সম্পর্কে বিল গেটস বলেছেন, তার তো অনেক বয়ফ্রেন্ড আছে,আমাকে দিয়ে তার হয় না। আর আমার আছে মাইক্রোসফট। এসব নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের সম্পর্কে বনাবনি হচ্ছিল। সেই ঝড়কে কাটিয়ে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন তারা। দাবি করা হয় যে, তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বেশ কয়েকবার ভেঙেই পড়েছিল। একটু এত চেষ্ঠা পরও এক সাথে শান্তিতে থাকতে পারছে না তারা। অবশেষে বিচ্ছেদই হলো আসল ঠিকানা।

Previous ArticleNext Article