Uncategorized, সেলিব্রিটি বার্তা

মৌসুম ছেলের বিরুদ্ধে নিয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা

তারকা দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন গেলো মার্চ মাসে ২৬ তারিখে নতুন জীবনের পথ শুরু করে বিয়ের পিড়িতে বসেন। যার দরুন বেশ কিছুদিন চর্চায় ছিলেন, ভাইরাল হয়েছিল তাদের বিয়ের ছবিও বেশ আলোচনায় ছিলেন। প্রশংসাও করিয়েছেন অনেক।কিন্তু এত সব প্রশংসার সমাহার হয়েও এখন তিনি বিতর্কের মুখোমুখি। কারণ তিনি মালিকানাধীন আছেন রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার মন্টানা লাউঞ্জ নামে সিসা বারে এর। মঙ্গলবার অর্থাৎ গত ১৮ মে সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিশা সেবনের সরঞ্জামসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে।

Tarokaloy_moushumi_and_omar_suni_family

ঘটনাস্থলে তাদেরকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ মোতাবেক একটি মামলা দায়ের করেছে গুলশান থানা পুলিশ। তবে ওই মামলায় অবৈধ সিসা বার পরিচালনাকারী ও ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ রেস্তোরাঁর ঔনার ফারদিন এহসান স্বাধীনকে আসামি হিসেবে তালিকভুক্ত করা হয়নি। এছাড়া উৎঘটিতি পুলিশের দেয়া তথ্য মতে জানা যায় গতকাল ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো।

Tarokaloy_moushumi_and_omar_suni_family

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসান গণমাধ্যমে জানান, সিসা একটি নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য। সিসা বার পরিচালনা, বিক্রি ও সেবন আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে অবৈধ ও নিষিদ্ধ। মন্টানা লাউঞ্জ রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে সিসা ও সিসা সেবনের সরঞ্জামাদিসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন রেস্তোরাঁর সেফ এবং বাকিরা ওয়েটার হিসেবে সেখানে সিসা লাউঞ্জে কাজ করতেন। তবে অভিযানের সময় রেস্তোরাঁর মালিক ফারদিন এহসান স্বাধীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।

Tarokaloy_moushumi_and_omar_suni_family

সিসা বার পরিচালনাকারী ও রেস্তোরাঁর মালিককে আইনের আওতায় আনা হবে কি-না জানতে চাইলে মো. আবুল হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে যাদের হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে শুধুমাত্র তাদেরই আসামি করা হয়েছে। মামলাটি এখন তদন্তের বিষয়ে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণ মিললে রেস্তোরাঁর মালিককেও আইনের আওতায় আনা হতে পারে। তবে মামলাটি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।

Tarokaloy_moushumi_and_omar_suni_son

এদিকে গ্রেফতার হওয়া আসামিদের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিকে,ফারদিন আহসানের বাবা অভিনেতা ওমর সানীর দাবি, ওই রেস্তোরাঁটি মূলত ফুড আইটেম (খাবার) বিক্রি করা হতো। তবে সেখানে ৯০ শতাংশ ফুড আইটেম এবং ১০ শতাংশ সিসা লাউঞ্জ হিসেবে পরিচালিত হতো। রেস্তোরাঁটির মালিক ও তার ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন কোনো বে-আইনি কাজ করেনি বলেও দাবি করেন।

Tarokaloy_moushumi_and_omar_suni_family

২০১৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮’ কার্যকর হয়েছে। সেই নতুন আইনে সিসাকে মাদকদ্রব্যের ‘খ’ শ্রেণির তালিকাভুক্ত করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নতুন আইনে মাদক সম্পর্কিত অপরাধ প্রমাণিত হলে ন্যূনতম এক বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও নগদ অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

Previous ArticleNext Article