Uncategorized, সাজগোজ

ঘরে বসে প্রকৃতিক উপায়ে হেয়ার প্রোটিন ট্রিটমেন্ট

আপনি কী প্রোটিন ট্রিটমেন্ট সম্বন্ধে শুনেছেন? অবশ্যই,শুনেছেন কেননা নারীদের চুলের প্রতি যতটা মায়া সেটা নিয়ে যত্নবান হওয়ার জন্য কি কি করতে হয়,সেটা জেনে রাখা একটা প্যাশন। হেয়ার ট্রিটমেন্ট নেক বা না নেক ,সবাই অনেক কিছু নাম সম্পর্কে অবগত আছেন। আপনার চুলের যত্নের জন্য এই প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করা কতোটা অনবদ্য কাজ সেটা হয়তো কখনো চিন্তা করেনি। এই ট্রিটমেন্ট যেমন আপনার চুল মজবুত করবে, তেমনই চুলের বৃদ্ধি ঘটাবে। এই ট্রিটমেন্ট করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল অ্যামিনো অ্যাসিড যা চুল ভালো রাখে। আপনার নিশ্চয়ই এই ট্রিটমেন্ট ঘরে কিভাবে করা যায় সে সম্বন্ধে অনেক কিছু জানতে ইচ্ছে করছে? তাহলে আজকের প্রতিবেদনটি ভালো করে পড়ুন।

tarokaloy_protein_treatment_for_hair

আপনার চুলের কী গড়া ফাটা? আপনার চুল কী রুক্ষ্ম হয়ে যাচ্ছে? এই ধরণের সমস্যার জন্য এই প্রোটিন ট্রিটমেন্ট খুবই কার্যকরী। আমাদের চুলে নষ্টের প্রধান উপাদান, কেরাটিন প্রোটিন, ধুলো, রোদ, দূষণ আর রাসায়নিক নানা জিনিস যা চুলের সংস্পর্শে এসে নষ্ট হয়ে যায়। প্রোটিন ট্রিটমেন্ট আপনার চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখে আর এই সবের প্রভাব থেকে দূরে রাখে। এটা যেন চুলকে কন্ডিশনড করে।
প্রোটিন ট্রিটমেন্ট এর কিছু ধরুন আছে যেমন

tarokaloy_protein_treatment_for_hair

১. প্রোটিন প্যাকঃ

খুব কম রকমের চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে এই ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করা হয়। এটি নিয়মিত ট্রিটমেন্ট হিসেবে করা ভালো। ২ মাস অন্তর অন্তর তো করতেই পারেন।

২. লাইট ট্রিটমেন্টঃ
এটিও মূলত সাধারণ ড্যামেজ হলে চুলে তখন করা হয়। এটি বিশেষ করে কন্ডিশনিং মাস্ক হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিনের যত্নের জন্য এটি খুবই কার্যকরী।

tarokaloy_protein_treatment_for_hair

৩. ডিপ পেনিট্রেটিং ট্রিটমেন্টঃ
আপনার চুল যখন বেশ খানিকটা ক্ষতিগ্রস্থ তখন এই ট্রিটমেন্ট ব্যবহার করা আবশ্যক। এটি চুলকে ভিতর থেকে ময়েশ্চারাইজড করে। এই ট্রিটমেন্ট প্রত্যেক ২ সপ্তাহে করা উচিৎ।

৪. রিকন্সট্রাকটরঃ
আপনার চুল যদি খুব ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে এই ট্রিটমেন্ট হয়। এটি প্রত্যেক ২ সপ্তাহে একবার করে করা উচিৎ।

tarokaloy_protein_treatment_for_hair

প্রাকৃতিক হেয়ার প্রোটিন ট্রিটমেন্ট করার দুটি প্যাক
যদি আপনার বাইরে গিয়ে এই ট্রিটমেন্ট করার সময় না থাকে, আপনি বাড়িতে বসেও এই ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। আসুন জেনে নিই কীভাবে।

অ্যাভোকাডো প্রোটিন ট্রিটমেন্ট:
অ্যাভোকাডোর মধ্যে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড। এটি চুল মজবুত করে আর শুষ্ক চুল নরম, মোলায়েম করে তোলে। আপনি খুব সহজেই এই অ্যাভোকাডো ব্যবহার করতে পারেন।

tarokaloy_protein_treatment_for_hair

উপকরণঃ
১/১টি অ্যাভোকাডো,
২/১ চামচ মেয়োনিজ

পদ্ধতিঃ অ্যাভোকাডো প্রথমে ভালো মত ব্লেন্ড করে নিন ভালো করে। এরপর এর মধ্যে মেয়োনিজ নিন। ভালো করে দুটো মিশিয়ে নিন। এই মাস্কটি আপনার চুলে লাগিয়ে রেখে দিন ২ ঘণ্টা মতো। তারপর নর্মাল পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

tarokaloy_protein_treatment_for_hair

দই দিয়ে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট:
দই এর মধ্যে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা আপনার চুল খুব ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে পারে।

উপকরণঃ
১/ ৩ চামচ দই,
২/১টি ডিম
পদ্ধতিঃ দইয়ের সঙ্গে ডিম খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণ চুলে ব্যবহার করুন। ২০ মিনিট মতো রেখে দিন। উষ্ণ গরম জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি নিয়ম মাফিক ব্যবহার করলে চুল খুবই ভালো থাকে।

tarokaloy_protein_treatment_for_hair

কলার প্রোটিন ট্রিটমেন্ট:

কলা এমন একটি উপাদান যেটার মধ্যে গুনা গুন কতো টা পরিমাণ বিদ্যমান টা বলে শেষ করার মতো নয়। আর প্রোটিনের আরেক নাম “কলা”

উপকরণ
১/কলা
২/নারিকেল তেল
৩/মধু
৪/ডিম

পদ্ধতি: নারকেল তেল, কলা, মধু,ডিম। সব গুলো উপকরণ এক সাথে করে ব্লেন্ড করে ক্রিম পেস্ট করে নিন। তার পর চুলে অ্যাপ্লাই করে ২০ মিনিট রেখে দিন। এর পর একটু উষ্ণ পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মাসে দুই থেকে তিন বার ব্যবহার করে আপনি নিজেই এর ফলাফল বুঝতে পারবেন।

Previous ArticleNext Article