Uncategorized, সেলিব্রিটি বার্তা

আবারো তর্কে আলিয়া ভট্ট

নেপোটিজমের কারণে কি বলিউডে নিজেকে তালিকা ভুক্ত করে নিয়েছে আলিয়া ভট্ট! এটা কি মহেশ ভাটের মেয়ের প্রতিভা নাকি অন্য কোনো রহস্য, এই রহস্যের গাট খুললেন খোদ আলিয়া ভাটের মা। বললেন নিজের মুখে। যেটা শুনে অবাক হয়ে গেছে নেটিজনেরা। কিন্তু এই নেপোটিজম সূত্র উৎঘাটন হয়েছিল গত বছরের জুন মাস থেকে যেটার পিছনে রয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুত।

tarokaloy_alia_bhatt_gossip

বর্তমানে সুশান্তের আত্মহত্যা পর থেকে একে একে বের হয়ে আসছে নানান কাহিনী। নেপোটিজম নিয়ে নেট দুনিয়ায় মুখ খোলেন অন্যান্যরা। নেট দুনিয়ায় একাধিক প্রশ্ন উঠে আসছে যে তারকা পুত্র-কন্যারা কিভাবে সহজে বলিউডে জায়গা করে নিচ্ছেন,সে ক্ষেত্রে স্টারকিড বাদে যারা আছে সে সব প্রতিভাকে কতোটা সুযোগ দিয়া হয়েছে!

নেপো কিডে তালিকায় রয়েছেন আলিয়া ভট্টও। তবে আসলেই কী মহেশ ভট্টের উদ্যোগ বলি পাড়ায় তার পদার্পণ!! কীভাবে আলিয়া বলিউডে এলেন এমন সব জল্পনা কল্পনা এবং আলোচনায় নিয়ে আজকের তারকালয়।

tarokaloy_alia_bhatt_gossip

নেট দুনিয়ায় নেপোটিজম, আত্মীয়তা, পরিচিতি, বাবার অবদান, একাধিক কারণে ভাইরাল হচ্ছে, ঠিক তখনই সমালোচকদের নজরে পরে গেলেন মহেশ দুলালী আলিয়া!
মহেশ ভট্টের মেয়ে হিসেবেই কি বলিউডে সুযোগ দেয়া হয়েছিল? তবে এটাই কি সত্য তাই! এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন মহেশ ভট্ট এর পত্নী আলিয়া জননী সনি রাজদান। প্রশ্নের উত্তরে একাধিক বিষয় অবগত করেন তিনি ,এমনকি
সনি রাজদান একটি ইন্টারভিউতে বলেছিলেন, ছোট বয়স থেকেই আলিয়া বলিউডের প্রতি আসক্ত ছিলো। আলিয়া নানান সময়ে নানান ভাবে নিজেকে উপস্থাপনের পদ্ধতি সবার সামনে চেয়ে আলাদা ভাবে প্রকাশ করত ছিল। ওর রিপ্রেজেন্ট করার তরিকা ছিল একদম অন্যতম। প্রতি রবিবার দিদা দাদু বাড়িতে আসতেন, আলিয়া নিজেই কিছুটা শিল্প করতেন।

tarokaloy_alia_bhatt_gossip

শুধু তাই নয় বাবার সিডি পেয়ে তিনি সপ্তাহের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রবিবার ছিল ছোট্ট আলিয়া নাচ, গান এবং কবিতার মাধ্যমে সবার সাথে উদযাপন করার একটি দিন। শুধু পরিবার নয় বন্ধুরাও একই চিত্র ছিল তার মতই।
যেখানে অন্যান্য বন্ধুরা অভিনয় করতে দ্বিধা বোধ করলেও, আলিয়া গিয়ে নিজেই পারফর্ম করত। আলিয়ার মায়ের কথা সাপেক্ষে বুঝা যাচ্ছিলো, অল্প বয়স থেকেই আলিয়াকে বলিউডের গড়ে তোলা হচ্ছিল।

tarokaloy_alia_bhatt_gossip

আলিয়া কথার মতে, তিনি যখনই কোনও ছবি করেন, তিনি তার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্ঠা করেন। এবং শ্রোতা তার প্রচেষ্টা গ্রহণ করে এবং এটিই তাঁর পছন্দ। তখন তিনি মনে করেন এটাই তার অ্যাক্টিং এর সার্থকতা কেননা তার অডিয়েন্স তার কাজকে সাড়া দিচ্ছে ভালোবাসছে। অতএব তার কষ্ট সফল। সে জন্যই তিনি যখন সর্বোচ্চ দেন তখন তিনি বিশ্বাস করেন তার কষ্ট বিফলে যাবে না। কেননা তিনি মানেন দর্শক অবশ্যই অভিনয় দেখেই বুঝে সেটার পিছনে কতো টুকু শ্রম প্রদান করা হয়।

tarokaloy_alia_bhatt_gossip

তার কাজের চাপ এত বেশি থাকে যে তার অস্তিত্ব কি সেটাই তিনি ভুলে যান। কিন্তু যখন তার কাজের শুটিং শেষ হয় কাজ শেষ হয় এবং সব সঠিক ভাবে হয় তিনি তখন সস্তি পায় এবং অনুভব করে এটাই আমার প্রাপ্য।

Previous ArticleNext Article