সাজগোজ

নাইট ক্রিম কেন ব্যবহার করবেন? 

সারাদিনের ব্যস্ততায় অনেকেই ত্বকের যত্ন নিতে পারেনা। তাই রাতের বেলা বেছে নিতে হয় বাড়তি যত্ন। নাইট ক্রিম হলো সারাদিনের ক্লান্ত ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে। 
নাইট ক্রিম আসলে একটি নারিশিং ক্রিম। নাইট ক্রিমে থাকা কলেজিন, ভিটামিন ও এমিনো এসিড ত্বকের কোষের বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক ক্রিম ব্যবহার করতে পারলে দেখবেন আপনার ত্বক হয়ে উঠবে নরম কোমল ও উজ্জ্বল। মুক্তি মিলবে ব্রণের সমস্যা থেকে। নিয়মিত নাইট ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে না। 
 
 
বাজারে বিভিন্ন ধরনের নাইট ক্রিম পাওয়া যায়। বিশেষ করে যেগুলো দ্রুত ফর্সাকারি ক্রিম পাওয়া যায় সেইগুলো ভুলেও ব্যবহার করবেন না। কেননা এই ক্রিম গুলো হয়ত সাময়িকভাবে আপনার ত্বককে ফর্সা করবে কিন্তু এগুলো ভিতর থেকে ত্বকের কোষগুলিকে মেরে ফেলে। তাই ভালো ব্র্যান্ডের নাইট ক্রিম বেছে নিন। 
 
 

 

 

নাইট ক্রিম ব্যবহার 

২৪-২৫ বয়সের নিচে নাইট ক্রিম ব্যবহার না করাটাই ভালো। নাইট ক্রিম ব্যবহারের আগে অবশ্যই ক্লিনজার দিয়ে ক্লিন করে স্কিনের পানি মুছে এরপর এপ্লাই করবেন। অবশ্যই ঘুমানোর ২০ মিনিট আগে লাগাবেন।নাইট ক্রিম গুলো অন্য সাধারণ ক্রিম থেকে একটু থিক বা ভারি হয় যার জন্য হালকা বা অল্প করে নিয়ে মাসাজ এর মত করে এপ্লাই করবেন। 
 
 
 

 

নাইট ক্রিমের উপকারিতা 

নাইট ক্রিম ত্বক মসৃণ ও সতেজ রাখে। এরই সাথে নাইট ক্রিম স্কিন ও ফেশিয়াল মাসলস টোনড রাখে, স্ক্রিনের ইলাস্টিসিটি ধরে রাখে এবং ত্বকের স্বাভাবিক কার্যকলাপে সাহায্য করে। রাতে গড়ে আট ঘন্টা ঘুমানো হয়। এই পুরো সময়টা যদি স্কিন বাতাসে খোলা ফেলে রাখি তাহলে স্কিন যেমন সকালে উঠে ড্রাই হয়ে থাকে তেমনি, আট ঘন্টায় বাতাসে ধূলি কণা ত্বকে পড়ে সহজেই শুরু হয়ে যাবে ব্রণের প্রকোপ। তাই ত্বকের যত্নে নাইট ক্রিম অত্যন্ত জরুরী। একটি ভালো নাইট ক্রিমের ব্যবহার স্কিনের সমস্যা থেকে ৫০% মুক্তি দিতে পারে। 
 


বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নাইট ক্রিম পাওয়া যায় যেমন বডি শপ এর ভিটামিন ই, ওলে ন্যাচারাল , গার্নিয়ার হোয়াইট কমপ্লিট মাল্টি অ্যাকশন ফেয়ারনেস নাইট ক্রিম ইত্যাদি এছাড়াও বিভিন্ন বড় বড় সুপার শপ গুলো দামি ব্র্যান্ডের নাইট ক্রিম পাওয়া যায় ত্বকের ধরন বুঝে বেছে নিন। 
 
 
 
তারকালয়/০৬/১১/১৮/রুপা 

Previous ArticleNext Article