সাজগোজ

রুপচর্চায় ভাতের মাড়! 

বাড়িতে প্রতিদিন ভাত রান্না হয়। অনেক সময় কাপড়ে ভাতের মাড় ব্যবহার করি। এছাড়া কোনো কাজে আসে না বলে মাড় ফেলে দেই। চীন ও জাপানে ভাতের মাড় নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে। 
২০০৪ সালে চীনের বিজ্ঞানী মিলিন গবেষণা করে ভাতের মাড়ে জিংকমেলেনিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়ামম্যাঙ্গানিজ ও কপার এই ছয়টি উপাদান আবিস্কার করেছেন।  
 
মশ্চেরাইজার হিসেবে ভালো কাজ করে ভাতের মাড়। ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে।  
 
ভাতের মাড়কে ক্যালোরিসমৃদ্ধ সুষম খাবার বলে বিবেচনা করা যায়। ভাতের মাড় শুধু দেহের পুষ্টিতেই নয় সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও অনেক সহায়তা করে। 
 
ত্বকের যত্নে কখনো ভাতের মাড় ব্যবহার করেছেন? না করে থাকলে আজ থেকেই শুরু করুন, তবে ব্যবহারের আগে অবশ্যই ঠান্ডা করে নেবেন। 
 

 

 

ত্বকের যত্নে ভাতের মাড়ের ১০টি ব্যবহার : 

 

১. ভাতের মাড় দিয়ে ত্বক ধুলে পরিষ্কার হয়। অল্প পরিমাণ ভাতের মাড় নিয়ে সারা মুখে ম্যাসাজ করুন। মিনিট দশেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, ত্বক কেমন পরিষ্কার লাগছে ।

 

২. মুখের ত্বকের ছোট ছোট ক্ষত সাড়াতে ভাতের মাড় অনেক সাহায্য করে। তাই ক্ষত স্থানে ভাতের মাড় নিয়ে ম্যাসাজ করুন উপকার পাবেন।

 

৩. পানিতে ভালো করে মুখ ধুয়ে ভাতের মাড়ের মাঝে তুলো ভিজিয়ে সমস্ত মুখে লাগাবেন। এটি টোনার হিসেবে কাজ করবে।

 

৪. ত্বককে ফর্সা করতে সাহায্য করে।

 

৫. ত্বকে ময়েশ্চেরাইজার এবং এন্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে এবং এতে অতিবেগুনী রশ্মি শোষণের ক্ষমতা রয়েছে।

 

৬. ত্বকে হাইপার পিগমেন্টেশন ও বয়সের ছাপ পড়া, বলি রেখা ইত্যাদি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

 

৭. শুধু কি ত্বকের জন্যই কাজে দেয় ভাতের মাড়? চালের প্রোটিন চুলের আগা ফাটা রোধ করে চুলও মজবুত, নরম ও মসৃণ রাখে।

 

৮. ভাতের মাড় দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন দেখবেন চুল অনেক উজ্জ্বল হবে।

 

৯. ভালো চালের তৈরি ভাতের মাড় দিয়ে দিনে ২ বার গোসল করলে ত্বকের বিরক্তিকর জ্বালা ও র‌্যাশ ভালো হয়ে যায়।

 

১০. যাদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা রয়েছে তারা ভাতের মাড় তুলো দিয়ে ব্রণ আক্রান্ত স্থানে লাগালে তা অতি দ্রুত সেরে উঠে এবং ত্বকের লালচে ভাবও দূর করে।

 

এছাড়াও ভাতের মাড় ত্বকের অন্যান্য চর্মরোগ সাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

 

তারকালয়/২৩/১০/১৮/রুপা

Previous ArticleNext Article