সাজগোজ

রুপচর্চায় কাঁচা দুধের অসাধারণ ব্যবহার! 

দুধ পান স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। নিয়মিত দুধ পানে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে এছাড়াও স্কিনের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। দুধের আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে রূপচর্চার ক্ষেত্রে যা ত্বক ও চুল সবকিছুর জন্যই বেশ উপকারী। কাঁচা দুধ সব ধরনের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। কাঁচা দুধের মধ্যে ল্যাকটিক এসিড থাকে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রাচীনকালে রানীদের রুপচর্চার প্রধান উপকরণ ছিল দুধ যা দিয়ে তারা স্নান করতেন। আজ আপনাদের রুপচর্চায় কাচা দুধের ব্যবহার। 
 


 
১. ফেসিয়াল ক্লিনজার  
 
দুধ দিয়ে করে ফেলুন ফেসিয়াল ক্লিনজিং। কাচা তরল দুধের সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে। কটন বলের সাহায্য সম্পূর্ণ মুখে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। বাজারে কিনতে পাওয়া প্রায় সকল ফেসিয়াল ক্লিনজারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল থাকে যা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে দুধ বেশ ভালো কাজে দেবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও ফিরে পাবেন। 
 
 

 

২. ময়েসচারাইজার  
 
শীতকালে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। তাই ময়শ্চারাইজার হিসেবে দুধের তুলনা হয় না। কাচা দুধের সাথে মধু মিশিয়ে ত্বকে মাসাজ করুন এরপর কিছুক্ষন রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। রুক্ষ শুষ্ক ত্বকের জন্য কেমিক্যাল সমৃদ্ধ ময়েসচারাইজার ব্যবহার না করে শুধুমাত্র দুধ ব্যবহার করে অনেক ভালো ফলাফল পাবে।  
 
 

 

 

৩. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে দুধ 
 
তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে দুধের কার্যকারিতা অনেক বেশী। সামান্য একটু চিনির সাথে দুধ মিশিয়ে ত্বক আলতো করে ম্যাসাজ করে নিন। এতে করে ত্বকের উপরের কালচে মরা কোষ দূর হবে এবং দুধ ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে তাৎক্ষণিকভাবেই 
 
 

 

৪. ত্বকের কালো দাগ দূর করতে  
 
১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ,আধা চা চামচ লেবুর রস ও ১ টেবিল চামচ মসুর ডাল মিশিয়ে। ত্বকে ১৫ মিনিটের জন্য রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবুতে আছে ব্লিচিং এজেন্ট যা ত্বককে প্রাকৃতিক ভাবে ব্লিচ করে। এছাড়াও 
ত্বকের যেকোনো ধরণের দাগ দূর করতেও দুধ বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ দুধে রয়েছে মাইল্ড অ্যাসিড যা ত্বকের দাগ ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের দাগ দূর হবে। 
 
 
  
 
৫. চোখের কালো ভাব দূর :  
 
১ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ, ১ টেবিল চামচ গোলাপ জল, ১ টেবিল চামচ গ্রিন টি পানি মিশিয়ে আইসকিউব করে রাখুন। এরপর এই আইসকিউব চোখের উপরে ও নিচে সার্কুলার মোশনে ঘষুন এরপর রাখুন কিছুক্ষণ। এতে চোখের ক্লান্তি ভাব কমে আসবে। এমনকি চোখের চারপাশের কালো ভাব বা ডার্ক সার্কেল ধীরে ধীরে কমে যাবে। সেইসঙ্গে চোখের ফোলা ভাবও কমে যাবে।

 
 
তারকালয়/২৯/১১/১৮/রুপা

Previous ArticleNext Article