সাজগোজ

খুশকি নিয়ে চিন্তিত? মাত্র ৪টি উপায়ে খুশকি দূর করুন!

খুশকি হয় না, এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না! কারণ এটা অতি সাধারণ একটা সমস্যা। সাধারণত ছত্রাকের ও ব্যাকটেরিয়াল আক্রমণের ফলে এ সমস্যা হতে পারে। মাথার ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয় এবং পুরনো কোষগুলো ঝরে যায়। কিন্তু অনেক সময় পুরনো কোষগুলো ঝরতে না পেরে জমে থাকে যখন তখনি ফাঙ্গাস সংক্রমিত হয়ে খুশকির দেখা দেয়। মাথার ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত হলে আর নিয়মিত চুল পরিষ্কার না করলে খুশকি হয়। স্কাল্প বা মাথার ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হলেও খুশকি হতে পারে। এমনি মানসিক দুশ্চিন্তা ও হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও খুশকি হয়। শীতকালে আবহাওয়া থাকে শুষ্ক ও ধুলাবালিযুক্ত। ফলে খুশকির প্রকোপও বেড়ে যায়। চলুন জেনে নেই খুশকি দূর করার ৪ টি সহজ উপায়! 
 
 
 
 

টক দই  
 
৬ টেবিল চামচ টকদই, ১ টেবিল চামচ মেহেদি বাটা, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস নিন। সবকটি উপকরণ ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণটি চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে লাগিয়ে ১ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর চুল ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এই মিশ্রণটি ব্যবহার করুন। এতে চুল যেমন খুশকিমুক্ত হবে তেমনি চুল হয়ে উঠবে ঝলমলে ও রেশমি। টকদই খুশকি দূর করতে ও চুল ঝলমলে করতে খুবই কার্যকরী। 
 
 

ডিম 
 

১টি ডিমের সাদা অংশ, ৪ টেবিল চামচ টক দই ,১ টেবিল চামচ লেবুর রস সবকটি উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মাথার ত্বকসহ পুরো চুলে লাগান। ২০ মিনিট পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এটা ব্যবহার করুন। খুশকি কমে যাবে। 
 
 
 

মেথি  
 

৩ টেবিল চামচ নারকেল তেল ও ১ টেবিল চামচ মেথি গুড়ো নিন। প্রথমে নারিকেল তেল গরম করুন। এরপর এতে মেথি গুঁড়া মেশান। মিশ্রণটি পুরো চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার পর অথবা রাতে লাগিয়ে পরদিন সকালে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে ৩ দিন এটি ব্যবহার করুন। মেথি চুলের খুবই উপকারী। 
 
 
 

পেঁয়াজের রস 
 
পেঁয়াজ মিহি করে বেটে বা ব্লেন্ডা করে, রস ছেঁকে নিন। পেঁয়াজের রস চুলের গোড়ায় ভালো করে ঘষে ঘষে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে চুল ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার মাথায় পেঁয়াজের রস লাগান। এতে মাথা চুলকানোও কমে যাবে। পেঁয়াজের রস খুশকি দূর করতে ও চুল গজাতে অনেক কার্যকরী। খুব দ্রুত খুশকি দূর করতে পারে। 
 
 


এছাড়া  

• নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুন। 
• নিয়মিত চুল আচড়াতে ভুলবেন না। 
• পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন। 
• মাথায় খুশকির পরিমাণ বেশি হলে চিকিত্‍সকের শরণাপন্ন হোন। 
 
 
তারকালয়/০৬/১০/১৮/রুপা

Previous ArticleNext Article