বিনোদন, সেলিব্রিটি বার্তা

বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও

সেন্টমার্টিন দ্বীপ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হলিউড হার্টথ্রব লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। প্রবাল দ্বীপটির চারপাশে নতুনভাবে সুরক্ষিত সামুদ্রিক অঞ্চল গড়ে তোলায় বাংলাদেশ সরকার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং এনজিওগুলোকে অভিনন্দন জানান ৪৭ বছর বয়সী মার্কিন এ তারকা। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও টুইটারে লিখেছেন,

Tarokaloy_Leonardo_DiCaprio

”সেন্টমার্টিন’স দ্বীপের চারপাশে নতুন প্রতিষ্ঠিত সামুদ্রিক সুরক্ষিত অঞ্চলের জন্য বাংলাদেশ সরকার, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং এনজিওগুলোকে অভিনন্দন যা সেখানকার জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে নিরাপদ আবাস নিশ্চিত করবে।” টুইটের সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন।

Tarokaloy_St._Martin’s_Island_bangladesh

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য সম্প্রতি সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের প্রায় ১ হাজার ৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা ‘সেন্টমার্টিন সামুদ্রিক সুরক্ষিত অঞ্চল’ ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার। ফলে জাহাজের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, অতিরিক্ত মাছ ধরা, বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থের ডাম্পিং এবং প্রবাল প্রাচীর ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর সবকিছু রোধ করা যাবে। ১৯৯৮ সালে ২৪ বছর বয়সে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে বনভূমি সংরক্ষণে কাজ করছেন ডিক্যাপ্রিও।

Tarokaloy_Leonardo_DiCaprio

তার ফাউন্ডেশন থেকে বনভূমি সংরক্ষণে ৩৫ প্রকল্পকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকার জন্য লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর পরিচিতি রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে হাতিয়ার করেই মূলত প্রচার চালান তিনি। তবে এবার বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানান তিনি। তার সবশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘ডোন্ট লুক আপ’-এ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর ওপর নেতিবাচক প্রভাবের বক্তব্য গুরুত্ব পেয়েছে। ‘দ্য রেভেন্যান্ট’ ছবির জন্য অস্কারে সেরা অভিনেতা হয়েছেন তিনি।

Tarokaloy_St._Martin’s_Island_bangladesh

ওই ছবিতেও জলবায়ু সংকটকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বৈশ্বিকভাবে হুমকির মুখে থাকা প্রবাল, গোলাপি ডলফিন, হাঙর, রে মাছ, সামুদ্রিক কাছিম, সামুদ্রিক পাখি, সামুদ্রিক ঘাস, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং এদের আবাসস্থল সংরক্ষণ;

Tarokaloy_St._Martin’s_Island_bangladesh

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের টেকসই আহরণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার মানোন্নয়ন; ব্লু ইকোনমি সমৃদ্ধকরণ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-১৪) অর্জনের লক্ষ্যে এই সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে নয় কিলোমিটার দক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত দ্বীপটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত। প্রচুর নারকেল পাওয়া যায় বলে এ নামটি অনেক আগে থেকেই পরিচিত হয়েছে।

Previous ArticleNext Article