Uncategorized, সাজগোজ

চুলের যত্নে মেথি

একটি মাত্র উপাদান আর সেটি দিয়েই হয়ে যাবে কমপ্লিট হেয়ার ক্যায়ার। আর সেটি হলো
জাস্ট একটু মেথি,তাহলেই চুল থাকবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল এবং সুন্দর ।আর কোনো প্রোডাক্ট আলাদা করে ব্যাবহার করা দরকারই পড়বে না।চুল খুব ড্যামেজ হয়ে গেছে?তার একটাই সমাধান।সেটা হল মেথি।চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে মেথির নাম তো শোনা হয়েছে।কিন্তু একে ব্যবহার করব কিভাবে?এটাই ভাবছেন তো?জেনে নিন আজকের প্রতিবেদন ।

সারাবছর চুল ভালো রাখবে মেথির তেল
সারাবছর যদি মেথির তেল মাখা যায়,তাহলে কিন্তু আলাদা করে আর কিছু করতেই হয় না চুলের জন্য।মেথি চুলের খেয়াল রাখবে।মেথির তেল চুল পড়া তো বন্ধ করবেই,সঙ্গে চুলের গোঁড়া মজবুত রাখবে।আর চুলের অকাল্পক্কতাও রোধ করবে।

উপকরণ

২ থেকে ৩ চামচ নারকেল তেল ও ২চামচ মেথি

পদ্ধতি

নারকেল তেলে মেথি দিন।নারকেল তেল ভালো করে মেথি সহ ফোটান।ভালো করে ফোটাবেন,যখন মেথির বীজ ও তেল ব্রাউন রঙের হয়ে যাবে তখন নামিয়ে নিন।তেল একটু ঠাণ্ডা হলে,স্কাল্পে ম্যাসাজ করুন।একদম গরম তেল ম্যাসাজ করবেন না।ভালো করে আলতো ভাবে ম্যাসাজ করুন।খুব বেশি চেপে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ একদম নয়।এতে চুল বেশি পড়ে।এটা সপ্তাহে দুদিন করলে,ব্যাস চুল নিয়ে আর কোন সমস্যায় পড়তে হবে না।

মেথির সাথে ডিম প্যাক:

খুব ভালো একটা ট্রিটমেন্ট চুল ভালো রাখার জন্য মেথির সাথে ডিম প্যাক ।কারণ মেথির সাথে ডিম,চুলের গোঁড়া মজবুত করে চুল পড়া নিয়ন্ত্রণ করে।আর স্ক্যাল্প খুব ড্রাই হলে,সেক্ষেত্রেও এই প্যাক খুব ভালো কাজ করবে।স্ক্যাল্পের অতিরিক্ত ড্রাইনেস কন্ট্রোল করবে।চুলকে করে তুলবে সাইনি।

উপকরণ

হাফ কাপ মেথি ও একটা বা দুটো ডিমের সাদা অংশ

পদ্ধতি

মেথি আগেরদিন রাতে ভিজিয়ে রাখুন।পরদিন সকালে নরম হয়ে গেলে পেস্ট করে নিন।এবার এর সাথে একটা ডিমের সাদা অংশ মেশান।ভালো করে দুটো উপকরণ মেশান।এবার এই পেস্টটা স্ক্যাল্পসহ পুরো চুলে ভালো করে লাগান।আধঘণ্টা রাখুন।তারপর শ্যাম্পু করে ফেলুন।মাইলড শ্যাম্পু হলে ভালো হয়।সপ্তাহে একদিন করলেই অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

চুল ঘন করতে শুধু মেথিই যথেষ্ট
মেথির সাথে অতো কিছু মিশিয়ে প্যাক বানানোর বা তেল তৈরি করার মত সময় নেই?তাহলে শুধু মেথিকেই ব্যবহার করুন।এটাও চুল পড়া রোধ করে,চুল ঘন করতে সাহায্য করে তুলবে এবং চুলের গ্রোথে দারুণ সাহায্য করবে এই প্যাক।

উপকরণ

হাফ কাপ মেথি।

পদ্ধতি

মেথি পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত।তারপর সকালে ভালো করে ব্লেন্ডার এ পেস্ট করে নিন।এবার এই পেস্ট স্ক্যাল্পে লাগান।আধঘণ্টার বেশি সময় পর্যন্ত এটি মাথায় রাখুন।তারপর মাইলড শ্যাম্পু দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।এটা সপ্তাহে দুদিন করতে পারলে খুব ভালো।কিন্তু সময় না থাকলে একদিনই করুন।তাতেও কাজ হবে।

ব্যাস আজ থেকেই শুরু করে দিন। বেশি না,একমাস পরই নিজের চুলের পার্থক্য তা চোখে পড়বে।

Previous ArticleNext Article